বাংলাদেশের মানুষ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুধু একটি সরকার পরিবর্তনের জন্য রাস্তায় নামেনি। তারা একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। সেই সংস্কৃতি ছিল ক্ষমতার অহংকার, বিরোধীদের অবজ্ঞা,
প্রতিবেশী বন্ধু দেশের ভূমিকা এমন হবে কেন? তারা কেন বারবার ‘পুশইনের’ আগ্রাসন চালাবে? অবৈধ মানুষদের একদেশ থেকে আরেক দেশে ফেরত পাঠানোর তো সুস্পষ্ট নীতিমালা আছে। ভারত তো সেসব মান্য করছে না।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১২ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেছেন। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট কেমন হবে তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
জাতিসঙ্ঘের অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে বিশ্বে অষ্টম স্থাানে ছিল।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কাছে ভালো কিছু আশা করার নেই। কারণ, ভালো কিছু করার জন্য যে সক্ষমতার প্রয়োজন, তা ওই দুই নেতার মধ্যে নেই। এ প্রসঙ্গে অনেক বিষয়ের অবতারণা করা যায়। প্রথমত, নেতা হলেও ওদের চিন্তাচেতনায় ন্যায়পরায়ণতা নেই
বর্তমানে দেশের আর্থিক খাত গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ পর্যায়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং একইসাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন কিছু পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে
চামড়া শিল্প খুব সম্ভাবনাময় শিল্প। কিন্তু সরকার সহ সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতা, একটি সুবিধাভোগী শ্রেণির অতিমুনাফাখোরী ও অব্যবস্থাপনার কারণেই এ শিল্প এখন অতীত গৌরব ও ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।
রাজধানী ঢাকার বুকে অবস্থিত বুড়িগঙ্গা নদী আজ মরতে বসেছে। বিষাক্ত দুগর্ন্ধে নদীর কিনারায় যাওয়া দুস্কর। অথচ এক সময় এ নদীর পানি মানুষ নিত্য কাজ-কর্মে ব্যবহার এমনকি পান করতেন। সে সময় নদী ভরা মাছ ছিল।