গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পাগার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিব (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
নিহত মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিব গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার পাগার এলাকার তফিকুল ইসলামের ছেলে এবং গ্রিন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। আহতরা হলেন একই এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে আকাশ (২৫) এবং মাসুদ রানার ছেলে ইমরান হাসান অনিক (২৪)। তারা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে পাগার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার পাগার এলাকার আয়াত আলীর ছেলে জোবায়ের হোসেন (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত জোবায়ের হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল কাজ করছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।'